ইলিশ ভর্তা
ইলিশ ভর্তা ০০০ আলমগীর জয় ০০০ এবারের পানি আসতে খুব বেশি দেরী নাই। তাই গিন্নিরে বলে সমিতি থেকে ২০ হাজার টাকা লোন উঠিয়ে জাল কিনে রাশেদ। জালে কাঠি আর পাথর বাঁধছে রাশেদ সেক। তাকে সহযোগিতা করছে ছেলে মামুন। মামুন তার বাপরে বলল প্রত্যেকবারেই বড় বড় ইলিশ মাছ বেইচ্যা ফেলাও; এবার কিন্তু বেচবা না। আমরা বড় ইলিশ মাছের ভর্তা খামু। ‘ছাওয়াল’ মামুনের কথা ফেলতে পারে নাই রাশেদ। গতকাল অনেক গুলো ইলিশ মাছ পেয়েছিল। সোয়া কেজি ওজনের ৪ টা ইলিশ রেখে বাকিগুলো চোরাইভাবে বিক্রি করে ১৭শ টাকা পেয়েছে রাশেদ। আজকে আবারও যাবে নদীতে। আজকেও কিন্তু আমারে নিয়ে যাবা, মামুনের আবদার। এখন আর আগের দিন নাই। দেখস না ম্যাসট্রেট (ম্যাজিস্ট্রেট) আসে, পুলিশ আসে, বিডিআর আসে। একলা ধরা খাইলে একজনেরই জেলে যাওন লাগবো। তোরে নিয়ে আবার বিপদ হইবো ছেলে মামুনকে বলল রাশেদ। মামুন নাছোড় বান্দা। বলল, আমি নাও...